আওয়ামীলীগের ৭০ বছর : আওয়ামী লীগের হাতেই স্বাধীনতার সূর্য উদিত

0
40
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলার হারানো স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এ দল প্রতিষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের হাতেই স্বাধীনতা সূর্য উদিত হয়েছিল।

গতকাল সকালে দলের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। পরে দলীয় সভানেত্রী হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এরপর তিনি জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় পায়রা ও বেলুন ওড়ানো হয়। পরে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের ভিতরে গিয়ে কিছু সময় অবস্থান করেন।

প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর একে একে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দলের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। এর মধ্যে ছিল জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, আনন্দ র‌্যালি প্রভৃতি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্বে বাঙালি জাতি মর্যাদা অর্জন করেছে। যে মর্যাদা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর বাঙালি জাতি হারিয়েছিল। বাংলার হারানো স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগই দেশকে দেয়, মানুষকে দেয়। বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব- আজকের দিনে এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা। বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী দেশের সব থেকে প্রাচীন এবং বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, চার জাতীয় নেতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মাহুতি দানকারী দলের নেতা-কর্মীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, ড. আবদুর রাজ্জাক, আবদুল মতিন খসরু, আবদুল মান্নান খান ও পীযূষকান্তি ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, রেলওয়ে মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আখতারউজ্জামান, কামরুল ইসলাম, রিয়াজুল কবির কাওছারসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের পাশাপাশি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রিপ্লে করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here