সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

0
41
২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা, ২৯ জুন। ছবি: পিআইডি

সচেতন বার্তা, ২৯ জুন:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন: উচ্চ হারে সুদ থাকলে শিল্প বিকশিত হবে না। এজন্য আমার সুপারিশ থাকবে যেন ব্যাংক ঋণের ওপর সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে রাখতে যথার্থ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তিনি বলেন: ব্যাংকের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনতে হবে। কারণ ব্যাংকে উচ্চহারে সুদ থাকলে শিল্পখাত ও ব্যবসা-বাণিজ্য বিকশিত হয় না। প্রস্তাবিত বাজেটে খেলাপী ঋণ কমিয়ে আনতে যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা যুগোপযোগী।

তিনি বলেন: এটি করা হলে দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতকে সক্ষম করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এজন্য আমাদের এই ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শনিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় একথা বলেন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের এবারের বাজেট জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় দেশে চলমান উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখবে জানিয়ে তিনি বলেন: বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ জাতির পিতার স্বপ্নের একটি ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সুখী ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে এটাই আমাদের প্রত্যয় এবং এই বাজেট এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন: বাংলাদেশের মানুষ একটি উন্নত জীবন চায়, তাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়বো।

তিনি বলেন: আমাদের সরকার রুপকল্প ২০২১ সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করেছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এসডিজি অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য পূরণ এবং আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণের এক কার্যকর মাধ্যম হবে আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য পেশকৃত জনবান্ধব, উন্নয়নমুখী এই বাজেট।

সংসদ নেতা বলেন: আমি শুধু এইটুকুই বলবো ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আমরা এই প্রথম বাজেট পেশ করলাম। এ বাজেট আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমাদের এই বাজেট আলোচনায় অনেক সংসদ সদস্য অনেকরকম আলোচনা করেছেন সেগুলো সব আমার কাছে ছিল। আমি মনে করি, আমার এই বক্তব্যের মধ্যদিয়ে তাদের সেই কথাগুলোর জবাব মোটামুটিভাবে তারা পেয়ে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন: দু’বেলা বাজেট অধিবেশন চলেছে এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক সংসদ সদস্য এখানে উপস্থিত ছিলেন এবং সবথেকে অল্প সময়ের অধিবেশনে সর্বোচ্চ সংখ্যক সংসদ সদস্যরা বক্তব্য রেখে একটি রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। সেই সাথে বিরোধী দলের সাংসদ সহ অন্যান্য সংসদ সদস্যদের আমি ধন্যবাদ জানাই।

রিপ্লে করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here