দুর্নীতির কারণে যেন উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত না হয়: প্রধানমন্ত্রী

0
25

সচেতন বার্তা, ১৩ জুলাই:দুর্নীতির কারণে যাতে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে নিজ কার্যালয়ে নতুন অর্থবছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি জানান, অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধা গ্রামে প্রতিষ্ঠা করতে প্রান্তিক জনপদের ভূমির সঠিক ব্যবহারও কর্মপরিকল্পনায় প্রণয়ন করা জরুরি।

সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি করে আসছে সরকার৷

এই প্রক্রিয়ায় পুরো অর্থবছরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কী কাজ করবে তা নির্ধারণের পাশাপাশি, মূল্যায়ন হয় আমলাতন্ত্রের কর্মতৎপরতার বিভিন্ন দিকের।

সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই চুক্তি হলো।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমলাতন্ত্রের জনমুখী সেবায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সতর্ক থাকতে হবে দুর্নীতির জন্য যেন উন্নয়ন ব্যহত না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মসম্পাদন চুক্তির যে ব্যবস্থাপনাটা তার একটা চমৎকার ফলাফল আমরা পাচ্ছি। দ্রুত দেশটা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাদিন খেটে কাজ করে এখন যদি দুর্নীতির কারণে সব নষ্ট হয়ে যায়, সেটা সত্যিই খুব দুঃখজনক। উন্নয়নটা যেন দুর্নীতির কারণে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটা সবাইকে ভালোভাবে দেখতে হবে।

মন্ত্রণালয়গুলো নিয়ে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের তাগিদ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, প্রান্তিক জনপদের ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহারে মহাপরিকল্পনা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ার সাথে সাথে সকলেরই একটা প্রবণতা হয়ে গেছে, যার যেখানে জমি আছে, সেখানেই একটা দালান কোঠা তুলে ফেলছে। অনেক সময় কৃষি জমির উপরেও দালান কোঠা তুলে ফেলছে। এই জায়গায় আমার মনে হয় একটা নীতিমালা, একটা নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার।

অনুষ্ঠানে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এপিএ বাস্তবায়নে সেরা ১০ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ সার্বিক বিচারে এতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

রিপ্লে করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here