ক্যামেরায় ধরা পড়লো ইজারাদারদের দুর্নীতি, টাকা দিয়ে মীমাংসার চেষ্টা সাংবাদিককে

0
25

রাজধানীতে এসে নিজের পছন্দমতো হাটে পশু তুলতে পারছেন না পাইকাররা। অভিযোগ উঠেছে, যাবার পথে ভয়ভীতি এমনকি মারধর করেও জোর পূর্বক অন্য হাটে থাকতে বাধ্য করছে ইজারাদাররা। এ অবস্থায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা বিক্রেতাদের।

রাতে রাজধানীর মোহাম্মাদপুর তিনরাস্তার মোড়, মিরপুর বেঁড়িবাধের ইস্টার্ন হাউজিং মোড়সহ বেশ কিছু স্থানে দেখা যায় হাটের স্বেচ্ছাসেবকের পোশাকে একদল লোক ট্রাক আটকে চালক ও পশুর মালিককে বাধ্য করছেন তাদের হাটে নিয়ে যেতে। আর এ নিয়ে চলছে বাকবিতণ্ডা।

একজন পাইকার বলেন, আমরা যাব চট্টগ্রাম, আমাদের এই হাটে নিয়ে আসছে। ছেলেপেলে দিয়ে মেরে আমাদের নামিয়েছে। সামনে পুলিশ ছিল, কিন্তু কিছুই বলেনি। দিনে বেশ কয়েকটি হাটে গিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সড়ক পথে চাঁদাবাজি কম। কিন্তু পছন্দের হাটে পশু তুলতে পারছেন না অনেকে।

পাইকাররা জানান, পশু নিয়ে যাওয়ার সময় টঙ্গী, উত্তরা ও মিরপুর বেড়িবাঁধ এবং মোহাম্মদপুরে বেশি হয়রানির শিকার হতে হয়। এরমধ্যে মোহাম্মদপুরের বসিলা হাটের ইজারা পেয়েছেন ঠিকাদার শাহ আলম হোসেন জীবন। এছাড়া, মিরপুর ডিওএইচএসের উত্তর পাশে বৃন্দাবন পশুর হাট ইজারা নিয়েছেন তুরাগ থানার স্থানীয় নেতা আব্দুল হালিম। এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে তারা এসব করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে জানতে চাইলে অস্বীকার করেন ইজারাদাররা। একজন বলেন, তারা স্ব-ইচ্ছাই এখানে এসেছেন, এখানেরই পাইকার। কথা শেষে টাকা দিয়ে প্রতিবেদককে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন এই দুই হাটের ইজারাদাররা।

এদিকে বিক্রেতাদের জন্য নিরাপত্তা জোরদারের কথা জানিয়েছে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, পুলিশ আছে প্রত্যেক হাটেই। আমাদের কাছে এমন অভিযোগ আসলে আমরা সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে বলতে পারি। কিন্তু আমাদের কাছে কোন অভিযোগ নেই।

হাটে জোরপূর্বক পশু তোলা ঠেকানো বা পথে চাঁদাবাজি বন্ধ না করা গেলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন ব্যবসায়ীরা। তাই আইনি পদক্ষেপ নেয়ার দাবি তাদের।

রিপ্লে করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here