থানার পাশে ক্যাসিনো, জানতো না পুলিশ!

0
34

“থানার পাশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসছিল মতিঝিলের ইয়াংমেনস ক্লাব। অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজে সহযোগিতা করতো খোদ পুলিশ। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, পুলিশের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

“এদিকে, ক্যাসিনোর প্রভাব সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে বিরূপভাবে পড়বে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী এর দায় এড়াতে পারে না।

মতিঝিলের ইয়াংমেনস ক্লাব। যেখান থেকে মতিঝিল থানার দূরত্ব মাত্র ৩০০-৪০০ গজ। বুধবার এ ইয়াংমেনস ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য ও টাকাসহ ১৪২ জনকে আটক করে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এ ক্লাবটি গত ৪ থেকে ৫ বছর প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে ক্যাসিনো ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। অলৌকিক কারণে এর আগে কখনো অভিযান চালায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থানীয় থানা পুলিশ টাকার বিনিময়ে ক্লাবের কর্মকর্তাদের ক্লাব পরিচালনায় সহযোগিতা করে আসছে। এমনকি অভিযান হতে পারে এমন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে কয়েক ঘণ্টা ক্লাবের কার্যক্রম বন্ধও রেখেছিলেন তারা।

একজন বলেন, থানার পাশেই এত বড় ক্যাসিনো, পুলিশের তো জানারই কথা।

প্রশাসনের নাকের ডগায় ক্লাব এবং সামাজিক সংগঠনের আড়ালে কীভাবে আইনবর্হিভূত এসব কাজ চলছিল? এমন প্রশ্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।

ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা রানা বলেন, ‘যদি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা এখানে জড়িত থাকে বা গাফিলতি থাকে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারে না বলে মত অপরাধ বিশেষজ্ঞদের।

অপরাধ বিশ্লেষক হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অনেক কিছুই খুব কঠিন। বলাটা সহজ হলেও করাটা কঠিন। তবে যা শুরু হয়েছে তার জন্য সাধুবাদ জানাই।’”

রিপ্লে করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here