সোনাগাজীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে এএসআই প্রত্যাহার

0
34

ফেনীর সোনাগাজীতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোনাগাজী মডেল থানার এএসআই সুজন চন্দ্র দাসকে ফেনীর পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল আহমেদ ভূঁইয়া জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসের অপরাধ বিভাগের পুলিশ সুপার হাসান মাহমুদ বিষয়টি তদন্ত করছেন।

বৃহস্পতিবার ধর্ষিতা ওই নারী ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া হোসেনের আদালতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধর্ষণ করেছে বলে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর তাকেসহ তার পালক পিতা-মাতাকে চাচা ও চাচাতো ভাই মিলে মারধর করে আহত করে। এই ঘটনায় ওইদিন সে বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় চাচা, চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই সুজন চন্দ্র দাস যাতায়াত খরচ চাইলে দিতে পারেননি তিনি। বাড়ি ফিরে যাওয়ার সময় থানার মাঠে দেখা মিলে রহিমা সুন্দরী নামের প্রতারক এক নারীর সাথে। সে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দেয়। ওই নারী তাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে রেখে পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি বলে তাকে বোন ডেকে তার বাসায় রেখে দেয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে এএসআই সুজন সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। একই রাতে ১২টার দিকে শম্ভু শিকদার, আফলাছসহ ৫ জন যুবক ও ঘটনা দেখে ফেলেছে বলে তাকে ধর্ষণ করে। তারপর সে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার সাথে থাকা ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের রিং, ৮ আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

এর আগে, গত মঙ্গলবার ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে সঞ্জু শিকদার, রহিমা সুন্দরী ও আফলাছ হোসেনেরসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশের ভয়ে প্রথমে ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম মামলায় উল্লেখ করেনি বলে তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন গৃহবধূ। মঙ্গলবার রাতে সঞ্জু শিকদার (৩৫) ও নারী প্রতারক রহিমা সুন্দরীকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

রিপ্লে করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here