অপরাধ হয়েছে দেড় হাজারের বেশি; মাসে গ্রেপ্তার গড়ে ২৯০ আসামী:

রংপুর মেট্রোর ৬ থানায় ১ বছরে সোয়া কোটি টাকার মাদক উদ্ধার

0
39
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দিচ্ছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলিম মাহামুদ। 

রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ৬ থানায় গত এক বছরে সোয়া কোটি টাকার মাদক উদ্ধার হয়েছে। অপরাধ সংগঠিত হয়েছে দেড় হাজারের বেশি । মাসে গড়ে ২৯০ জন আসামি গ্রেফতার হয়েছে।

বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালযের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলিম মাহামুদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত এক বছরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগের ৩ টি জোনের অধীন ৬ থানায় মোট ১ হাজার ৫০৮ টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪১০ টির অভিযোগপত্র এবং ১০৩টির ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত সমাপ্ত করে নিষ্পত্তি করাসহ ৩ হাজার ৪৭৮ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বছরে ৬ টি থানায় মোট ৩ হাজার ৮৪৭ জিআর ওয়ারেন্ট, ২  হাজার ৬০ সিআর ওয়ারেন্ট ও ১৯৬৬  সাজা ওয়ারেন্ট (জিআর ও সিআর) নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও উদ্ভূত নানা ধরণের আইনগত সমস্যা প্রতিকারের লক্ষ্যে মোট ২ হাজার ২৯৯  নন এফআই আর প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। ৫৬৭ টি মাদক সংক্রান্ত মামলা এবং বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১১ হাজার ১৮৩ পিছ ইয়াবা, গাঁজা৩৫৫ দশমিক ৬৬ কেজি,১৯৬ দশমিক ৯২ গ্রাম হেরোইন, ৭৯০ বোতল  ফেন্সিডিল, ২৬৯ লিটার চোলাই মদ, ১৮৫ লিটার স্পিরিট, ৫ হাজার ৩০০ লিটার ওয়াস , বিদেশী মদ১৪ লিটার উদ্ধার করা হয়। এসবের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ টাকা। খুনসহ ১৯  চাঞ্চল্যকর মামলা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে।

এছাড়া গত এক বছরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের ২ টি জোনের অধীনে ৪৮ হাজার ১৪টি মামলা করে ২ কোটি ২১ লাখ ৫ হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। করোনাকালীন সময়ে রংপুর মহানগরী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা হতে করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা টিসিবি ও ওএমএস পণ্য উদ্ধার করে ৭ টি নিয়মিত মামলা ও ৩ টি মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১৩ হাজার ৪৫৬ লিটার সয়াবিন তেল, ১ হাজার ৫৫০ কেজি চিনি,৫০ কেজি ডাল,১ হাজার ৫৩০ চাল কেজি এবং  ২৮৮ কেজি পেয়াজ উদ্ধার করা হয়।  যার মূল্য ১৫ লাখ টাকার ওপর। গোয়েন্দা বিভাগ মহানগরী এলাকার ২২ টি মেডিকেল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিক এ অভিযান পরিচালনা করে ৬ লাখ ৯০ হাজার  টাকা জরিমানা এবং ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার করা হয়।

পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ, মেডিকেল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিক এ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫৫ জন দালাল চক্রের সদস্য গ্রেফতার করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here