রাবির বিদায়ী ভিসির অনিয়মের খতিয়ান

0
13
ফাইল ছবি।

লেখকঃ ড. মু. আলী আসগর। অধ্যাপক, ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি বা উপাচার্য) অতি সম্মানিত পদ। কিন্তু দেশের কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি বা নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে এই সম্মানিত পদটির মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হতে হতে এমন স্তরে পৌঁছেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করার জন্য অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী- উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনতে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি উন্মুক্ত শুনানির ব্যবস্থা করে এবং উপাচার্যের অনিয়মের প্রমাণ পায়। ইউজিসির তদন্ত কমিটি সরকারকে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির তদন্ত রিপোর্টের সত্যতা পেয়ে গত বছরের ১০ ও ১৩ ডিসেম্বর কিছু বিষয়ে নির্দেশনা দেয় ও কিছু বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদত্ত ১৯৭৩ সালের অ্যাক্ট দ্বারা পরিচালিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ অ্যাক্টের অধীন ১২নং ধারায় উপাচার্যের ক্ষমতা ও কর্তব্য ২নং উপধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘উপাচার্যের কর্তব্য ১৯৭৩ অ্যাক্ট, স্ট্যাটিউট ও অর্ডিন্যান্স যথাযথভাবে প্রতিপালন/মান্য করা। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ অ্যাক্টের অধীন ১২নং ধারার (উপাচার্যের ক্ষমতা ও কর্তব্য) ২নং উপধারায় বর্ণিত কর্তব্য প্রতিপালন/মান্য করেন নাই।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর মূল উদ্দেশ্য ‘ইমপ্রুভিং দ্য টিচিং অ্যান্ড রিসার্চ’ (তথ্যসূত্র :রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালেন্ডার; চ্যাপ্টার ১)। শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নত করার পূর্বশর্ত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক উন্নত মানের শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা। সেই লক্ষ্যে প্রায় আড়াই বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০১৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটে ‘শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা’ অনুমোদিত হয়, যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০১৫ নামে পরিচিত। কিন্তু ২০১৭ সালের ৭ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর একই বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০১৫ ব্যাপকভাবে শিথিল করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা-২০১৭ প্রণয়ন করেন। ২০১৭ সালে শিথিলকৃত শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর মূল উদ্দেশ্য ‘ইমপ্রুভিং দ্য টিচিং অ্যান্ড রিসার্চ’ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিচ্যুত হয়ে রাবির শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের পথ সুগম করা হয়েছে। সে কারণেই গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নীলিমা আফরোজ স্বাক্ষরিত পত্রে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের নিয়োগ নীতিমালা বাতিল করে ১৯৭৩-এর আদেশ অনুযায়ী পরিচালিত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যেমন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের জন্য নির্দেশক্রমে রাবির সদ্য বিদায়ী উপাচার্যকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানের মেয়ে সানজানা সোবহান বিজনেস স্টাডিজ অন্তর্ভুক্ত মার্কেটিং বিভাগ থেকে পাস করে ২২তম অবস্থানে থেকে শিক্ষক হয়েছেন এবং তার নিজ জামাতা এটিএম শাহেদ পারভেজ বিজনেস স্টাডিজ অন্তর্ভুক্ত মার্কেটিং বিভাগ থেকে সিজিপিএ তিন দশমিক চার সাত নয় পেয়ে ৬৭তম অবস্থানে থেকে শিক্ষক হয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাবির শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০১৫ অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের মেয়ে ও জামাতার আবেদনের যোগ্যতা ছিল না। সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের এমন স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের কারণে দেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং গবেষণার মানও নিম্নগামী হয়েছে। এ অবস্থায় সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের মেয়ে-জামাতার নিয়োগ কেন বাতিল করা হবে না- গত ১৩ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নীলিমা আফরোজ স্বাক্ষরিত পত্রে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে সদ্য বিদায়ী উপাচার্যকে অনুরোধ করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ২৯ ধারা ‘দ্য ফার্স্ট স্ট্যাটিউটস অব দ্য ইউনিভার্সিটি’-এর ৩-এর ১ ধারায় বর্ণিত আছে, উপাচার্য জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের নিচে নয়) পর্যায়ক্রমে তিন বছরের জন্য বিভাগের সভাপতি নিয়োগ দেবেন। কিন্তু গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর করোনা সংকটকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য তিনটি বিভাগে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভাগের সভাপতি নিয়োগ না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেন। এ বিষয়টি ইউজিসির উন্মুক্ত শুনানিতে এজেন্ডা ছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য তার প্রথম মেয়াদে একইভাবে এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এপটেনশন বিভাগে এবং দ্বিতীয় মেয়াদে ২১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ২৯ ধারা ‘দ্য ফার্স্ট স্ট্যাটিউটস অব দ্য ইউনিভার্সিটি’-এর ৩-এর ১ ধারা লঙ্ঘন করে সভাপতি নিয়োগ দিয়েছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ অ্যাক্টের চ্যাপ্টার ৫-এর ধারা ২(সি)/অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পদ সৃষ্টি, ওই পদ পূরণার্থে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সর্বোপরি সংশ্নিষ্ট শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ। অর্থাৎ নিজ নিজ বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা নির্ধারণ ভিন্ন সিন্ডিকেটের শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সুযোগ নেই। আইন অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা নির্ধারণ শুধু বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির ওপর ন্যস্ত। একমাত্র বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই সিন্ডিকেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান প্ল্যানিং কমিটির সিদ্ধান্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে নিজেই তার প্রথম ও দ্বিতীয় মেয়াদে কয়েকটি বিভাগের শিক্ষকের যোগ্যতা নির্ধারণ করে, তা সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন দেন। রাবির ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের তিন শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে (হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ৮৯৮৬/২০১৯) আদালত বলেছেন, ‘যিনি সুপারিশকারী তিনিই অনুমোদনকারী হতে পারে না।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ অ্যাক্টের অধীন ১২নং ধারার (উপাচার্যের ক্ষমতা ও কর্তব্য) ৫নং উপধারায় ভিসির ক্ষমতা আছে, অস্থায়ী ভিত্তিতে (৬ মাসের অধিক সময়ের জন্য নয়) শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ প্রদানের এবং ওই কাজের সিন্ডিকেটে রিপোর্ট করার। তবে ‘২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার এক পরিপত্রে (পরিপত্র নং- শাঃ১৮/বিবিধ-৮/২০০২ (অংশ-২)/১৬৮; তারিখঃ ২৫/০৩/২০০৯) সব ক’টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী বা অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি সুনির্দিষ্ট পদ থাকে এবং সেই পদের বিপরীতে যদি অনুমোদন থাকে, সেখানে অর্থ বরাদ্দ থাকে, তাহলে উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে।’

 

সম্প্রতি ডয়চে ভেলে বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোপূর্বে উপাচার্যের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত হয়েছে। সেই তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেকটি পরিপত্রে সেখানে সব ধরনের নিয়োগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর উপাচার্য সেই সময়ে চলমান সব নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তার মানে তিনি সেই পরিপত্র মেনে নিয়েছিলেন। তাহলে তিনি হঠাৎ করে কীভাবে আবার তার কার্যদিবসের শেষ দিনে এতজনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ করেন? তিনি সম্পূর্ণরূপে অবৈধ এবং নিয়মবহির্ভূত কাজ করেছেন।’

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানের শেষ কর্মদিবসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণনিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে মাত্র ৯ জনের জীবনবৃত্তান্ত পেয়েছে সংশ্নিষ্ট তদন্ত কমিটি। বাকি ১২৯ জনের সিভি বা কোনো ধরনের ডকুমেন্টস পাননি বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সব নিয়োগ বন্ধ রাখে। এর পরও ৫ মে কাগজপত্র প্রস্তুত করে ৬ মে সবাইকে ডেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। আমরা ১৩৮ জনের তালিকা পেয়েছি। তাদের মধ্যে ৯ জনের জীবনবৃত্তান্ত পেয়েছি। বাকি কারও কোনো ডকুমেন্টস নেই। তার মানে পুরো প্রক্রিয়াতেই অস্বচ্ছতা কাজ করেছে। তিনি বলেন, বিদায়ী ভিসি অধ্যাপক সোবহানের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। তাতে অনেক বিষয়ের তিনি উত্তর দিতে পারেননি। অনিয়মের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

২০১৭ সালের ৭ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আবদুস সোবহান দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে প্রথমেই শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা শিথিলের উদ্যোগ নেন এবং শিথিলকৃত নিয়োগ নীতিমালায় সদ্য বিদায়ী উপাচার্য তার মেয়ে ও জামাতাকে নিয়োগ দেন। তাছাড়া রাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জাকারিয়ার মেয়ে-নিজ জামাতাসহ সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের ঘনিষ্ঠ শিক্ষকদের সন্তানরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। রাবির সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের মেয়ে, জামাতাসহ ৩৪ জন নিয়োগপ্রাপ্তদের পূর্বের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনের যোগ্যতা ছিল না।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে রাবিতে সব প্রকার নিয়োগ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তার আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য সাড়ে তিন বছরের অধিক সময় পেয়েছিলেন কর্মকর্তা-কর্মচারী পদে নিয়োগ দেওয়ার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদায়ী উপাচার্যের শেষ মুহূর্তে নিয়োগকৃত ১৩৮ জনের মধ্যে ৪ ভাগের মাত্র ১ ভাগ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছাত্রলীগের মধ্যে যারা নিয়োগ পেয়েছেন এর মধ্যে ফার্স্ট ক্লাস পাওয়া শিক্ষার্থীও আছেন। শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশই নিয়োগ পেয়েছেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে।

সূত্রঃ সমকাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here