অনিলকন্যার সাফল্যে অবদান যাদের

0
48
ফাইল ছবি।

টানা ৬ বছর একের পর এক ফ্লপ ছবির পর ২০১৩ সালে ‘রঞ্ঝনা’ ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসা পান সোনম। আনন্দ এল রাইয়ের ছবির জন্য স্কুলপড়ুয়া ‘জোয়া’ হয়ে উঠতে হয়েছিল সোনমকে। বিশ্বাসযোগ্য অভিনয়ের মাধ্যমে সেই প্রথম দর্শকের প্রশংসা পেয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালের ২১ জুন মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। এতে সোনমের বিপরীতে অভিনয় করেন দক্ষিণী সুপারস্টার ধানুশ।

সঞ্জয় লীলা বানশালির মতো নামী পরিচালকের হাত ধরে বলিউডে অভিষেক হয় সোনম কাপুরের। ছবির নাম ‘সাওয়ারিয়া’। প্রথম ছবিতে সোনমের সহশিল্পী ছিলেন রনবীর কাপুর ও সালমান খান। ‘সাওয়ারিয়া’র পর বেশ কিছু ছবি করে ফেললেও সু-অভিনেত্রীর তকমা ছিল অধরা।

এই সাফল্যের পিছনে বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের অবদানের কথা জানিয়েছিলেন অনিলকন্যা। এক সাক্ষাৎকারে সোনম জানিয়েছিলেন, “জোয়া খুব প্রাণখোলা এবং হাসিখুশি মেয়ে। প্রথমে এই চরিত্রটি করতে অসুবিধা হলেও ‘গুড্ডি’ ছবিটি দেখার পর বিষয়টা সহজ হয়ে যায়। জয়া বচ্চনের বয়স তখন ২০-র কোঠায় ছিল, যখন তিনি সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। তার চরিত্র দেখেই একজন স্কুল পড়ুয়ার হাবভাব কেমন হওয়া উচিত, তা বুঝেছিলাম।”

প্রসঙ্গত, ১৯৭১-এ মুক্তি পাওয়া হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘গুড্ডি’ বলিউড রোম্যান্টিক কমেডির ইতিহাসে একটা মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত। এক সিনেমা পাগল কিশোরীর ভূমিকায় অনবদ্য অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছিলেন সে দিনের জয়া।

সোনম আরও জানিয়েছেন, নিজের চরিত্রকে পর্দায় নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলতে ‘গাইড’ ছবির ওয়াহিদা রহমানের চরিত্রকে রীতিমত ‘নকল’ করেছিলেন তিনি। দুই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর থেকে অভিনয়ের পাঠ সাফল্য এনে দিয়েছিল সোনমকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here