‘ধান্ধা লীগে বিব্রত আওয়ামী লীগ’ শিরোনামে:

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী মহানগর সৈনিকলীগ আহ্বায়ক কমিটি

0
137

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক কমিটি।

বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক সুমন চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র প্রতি প্রতিবাদ জানিয়ে এ ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে, প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ইং শিরীন আহমেদ এমপি, সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও আহ্বায়ক, ১ম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি এবং হারুন উর রশীদ সদস্য সচিব, ১ম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ এর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, ‘ধান্ধা লীগে বিব্রত আওয়ামী লীগ’ শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদগুলোয় বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের নাম অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং চরম অপেশাদারিত্বের লক্ষণ। সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা কিন্তু নুন্যতম অনুসন্ধান না করে গৎবাঁধা প্রতিবেদন লেখা, তা না পড়েই অনুমোদন করা এবং সর্বোপরি তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রকাশ করা একটি প্রতিষ্ঠানের নৈতিক অবক্ষয়ের নিশ্চিত প্রতিচ্ছবি। এভাবে সংবাদপত্র পরিচালনা করা যেকোনো ব্যক্তি, সমাজ বা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর এবং এই ধরনের অপসাংবাদিকতার কারণে মূলধারার গণমাধ্যম থেকে জনগণের আস্থা উঠে যাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ১৯৯৫ সালে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বজলুর রহমানের হাত দিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়। যিনি বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদ করে সর্বপ্রথম ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক লিয়াজো কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯৯৬-২০০১)। ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় আহত হন এবং ২০১৪ সালে মৃত্যুবরণের আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করেছেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় রাজনৈতিক জীবন ধারন করেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে, বঙ্গবন্ধু নাম ব্যবহার করে কোন সংগঠন গঠন করতে হলে যেহেতু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহামনের স্মৃতি ট্রাষ্টের অনুমতি পত্র প্রয়োজন হয় তাই ২০০০ সনের ৩১ শে মে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ কে সর্বাত্মক রাজনৈতিক সহায়ক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে ট্রাষ্ট থেকে অনাপত্তি পত্র প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির মৃত্যুর পর তাঁর সুযোগ্য সহধর্মিনী শিরীন আহমেদ এমপি সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অদ্যবধি দায়িত্বে আছে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধরে রেখেই সততার সাথে সংগঠনকে পরিচালনা করেছ আসছেন। প্রাথমিক জীবনের ত্যাগ ও পারিবারিক আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং সংগঠন কে আদর্শিকভাবে পরিচালিত করে আসায় একাদশ জতিয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন ১ -এ মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ন করেন।

তবে এটি সত্যি যে, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির মৃত্যুর পর বক্তিস্বার্থের জন্য কিছু গোষ্ঠী নিজেদের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক দাবী করে সংগঠনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা রত ছিল, যা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবর রহামনের স্মৃতি ট্রাষ্টের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে পরামর্শ করে সমাধান করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর নির্দেশে সংগঠন কে আরও সুসংগঠিত করার উদ্দেশে জাতীয় সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্যে শিরীন আহমেদ এমপি কে আহ্বায়ক এবং আলহাজ্ব হারুন উর রশীদ কে সদস্য সচিব করে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ১ম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সর্বশেষ ১৪ই জুন ২০২১ইং তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সম্মেলনের পরে ভ্রাতৃপ্রতিম বা সহযোগী সংগঠনের স্বীকৃতি দেওয়া হতে পারে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক, পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের এমপি।

একই সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি প্রস্তুতি কমিটির মাননীয় আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কে জুলাই মাসের সুবিধাজনক তিনটি তারিখ বাছাই করে সেগুলো থেকে যেকোনো দিন সম্মেলনের তারিখ ধার্য করার আবেদন জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট আবেদন করার পরামর্শ দেন। বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মো: বজলুর রহমানের নিঃস্বার্থ ও আত্মত্যাগের রাজনীতির কথা স্মরণ করেন।

এই জুলাই মাসেই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল কিন্তু করোনা মহামারির কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীগণ সারকারি বাধ্যবাধকতা ও সাংগঠনিক নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ এলাকায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত আছেন। এবং আমরা আমাদের রাজনৈতিক সভা সমাবেশ জুম মিটিং সহ অন্যান্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে পরিচালনা করে আসছি।

তবে এতটুকু নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি যে, বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত সংগঠন তাঁর আদর্শ অনুযায়ী পরিচালনা না হলে আমরাই এর অনাপত্তি পত্র সমর্পণ করে সংগঠনের বিলুপ্তির আবেদন করবে। বঙ্গবন্ধুর নাম ও তাঁর আদর্শ এরকম হাজার সংগঠন থেকে মূল্যবান।

উল্লেখ্য সাম্প্রতি সমালোচিত বহিস্কৃত হেলেনা জাহান্গীরে এক ভুইফোড় সংগঠন কে কেন্দ্র করে, বিব্রত অবস্হায় পড়েছে ২৫ বছরের  ঐতিহ্যবাহী  বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের নেতাকর্মীরা,।  ইতিমধ্যে গত ১৪ জুন ২১ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় সড়ক ও সেতু মন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধান অতিথির এক ভার্চুয়াল আলোচনায় সংগঠনটির ১ম জাতীয় সম্মেলন ছোট্র পরিসরে হলেও তারিখ নিয়ে ও সহযোগী সংগঠন হবে বলে নেতাকর্মীদের আশ্বাস দেন।  তবে বর্তমান উদ্ভুদ পরিস্হিতে কোন যাচাই বাচাই না করেই কিছু পত্র পত্রিকায় ভুইফোড় সংগঠনের নামের তালিকায় বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যাহা তীব্র প্রতিবাদের করেছে সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here