ঢাকায় ইভ্যালির এমডি-চেয়ারম্যানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

0
85
সংগৃহীত ছবি।

প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের মামলায় রিমান্ডে যাওয়া ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি চেয়ে মানববন্ধন করেন কিছু ‘গ্রাহক’।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এলাকার কাছের সড়কে এ মানববন্ধন শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি বলেন, তাঁরা চান, ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হোক। তাঁরা যদি জামিনে থেকে ব্যবসা করার সুযোগ পান, তাহলে গ্রাহকদের পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন বলে তাঁদের বিশ্বাস।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড় এলাকা থেকে সিএমএম আদালতের দক্ষিণ–পূর্ব পাশ পর্যন্ত সদরঘাট সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ইভ্যালির গ্রাহক পরিচয়দানকারী ব্যক্তিরা রাসেল ও তাঁর স্ত্রীর ছবি হাতে নিয়ে মানববন্ধন করেন। তাঁরা রাসেল ও শামীমার মুক্তি দাবি করেন।

গত বৃহস্পতিবার মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। র‍্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন শেষে শুক্রবার তাঁদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। তার আগে বুধবার গভীর রাতে আরিফ বাকের নামের একজন গ্রাহক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন। এ মামলায় শুক্রবার রাসেল ও শামীমার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

ইভ্যালির কাছে গ্রাহক পাবেন প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। আর পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পাবে আরও প্রায় ২৫০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বাজারে ইভ্যালির দেনা ৯৫০ কোটি টাকা। তিন দিনের রিমান্ডে পুলিশের কাছে এ পরিমাণ দেনার কথা স্বীকার করেন রাসেল ও শামীমা। ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে যুক্ত পুলিশের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।

এদিকে ধানমন্ডি থানায় প্রতারণার অভিযোগে এ দুজনসহ ইভ্যালির ২০ কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় ধানমন্ডি থানা-পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে ইতিমধ্যে আদালতে আবেদন করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here