শিশুকন্যার ধর্ষণচেষ্টার বিচার চাইতে যাওয়ায় মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার ভেতরে বাবাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিবালয় থানার এএসআই আরিফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মারধরের শিকার ওই ব্যক্তির বাড়ি শিবালয় উপজেলায়। তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরজাহান লাবণী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী ওই শিশুর বাবা জানান, স্ত্রীসহ তিনি ঢাকায় থাকেন। তার ৫ বছরের শিশুকন্যা থাকে দাদির কাছে। গত ২০ জুলাই উপজেলার আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মান্নান খানের চাচাতো ভাই রজ্জব খান তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। বিষয়টি হাতেনাতে ধরে ফেলে শিশুটির দাদি।
পরে স্থানীয় গ্রাম্য মাতবরদের জানানো হলেও প্রভাবশালী হওয়ায় তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছিলেন না। উল্টো তাকেই নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হতো।এর পর গত ১৪ আগস্ট শিবালয় থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। কিন্তু সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও থানা থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে মা ও শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যান তিনি। এ সময় থানার ওসি রুমে ছিলেন না।
মামলার খবর নিতে থানায় গেলে ডিউটি অফিসার এএসআই আরিফ হোসেন তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। একপর্যায়ে থানার ভেতরে তাকে মারধর করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরজাহান লাবণী বলেন, মারধরের ঘটনায় এএসআই আরিফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির বাবার করা মামলার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।